Archives

now browsing by author

 
Posted by: | Posted on: December 7, 2018

নাম তোমার

নামটি নিয়ে গবেষণা করার ইচ্ছে কোনোদিনই আমার ছিল না। বলতে পারি, এ একটি নিছক কৌতূহল। মনের মধ্যে সে কৌতূহল অনেক দিন থেকেই; ২০১০ সনে যখন ইন্দিরাপুরমে স্থানান্তরিত হই, সেই তখন থেকে।

এবার দিল্লীর বইমেলা থেকে দেব সাহিত্য কুটীর প্রকাশিত আশুতোষ দেবের লেখা “শব্দবোধ অভিধান ” তাই বাড়ি নিয়ে এলাম। বিশেষ্য, বিশেষণ, সন্ধি, বিচ্ছেদ – সব কিছুই আছে; কিন্তু মনে হল, যা খুঁজে বেড়াচ্ছি, সে মানেটা নেই। অনেকে বলে, ইংরেজিতে এই নামের অর্থ হল End; কেউ বলে – kind-hearted. অন্যেরা আবার বলে – marginal. হতে পারে, সবাই ঠিক। কিন্তু এতসব আক্ষরিক অর্থ মনের সেই সুপ্ত কৌতূহলটাকে কিছুতেই মিটিয়ে দিচ্ছিলনা। অগত্যা, আধুনিক যুগের ত্রাতা “গুগলবাবা”র শরণাপন্ন হলাম। অভিধান সরিয়ে রেখে পারি দিলাম ইন্টারনেটের জগতে।

“উইকিপিডিয়ায় স্বাগতম – এটি একটি উন্মুক্ত বিশ্বকোষ” ; দেখেই মনে অদ্ভুত আনন্দ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি হল। এক্ষুনি আমার সমস্ত কৌতূহলের অবসান হবে। কিন্তু একি? “Wikipedia does not have any article with this exact name”- লেখাগুলো মনের সব উদ্দীপনা নিমেষের মধ্যে মিটিয়ে কৌতূহলটাকে আরো বাড়িয়ে দিল।

বন্ধুরাই এখন আমার একমাত্র ভরসা।

অসমের এক বাল্যবন্ধু জানালো যে, ১৯৮১ সাল থেকে এই নামে গুয়াহাটীতে একটি খুব জনপ্রিয় অসমীয়া পত্রিকা প্রকাশিত হয়ে আসছে যা অসমের জনগণের সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

পশ্চিমবঙ্গের বন্ধু বললো, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এই গ্রামের সৌন্দর্য্য দেখে অভিভূত হয়ে যান। ১৯৩৭ সালে কবিগুরু এই নামে একটি কাব্যগ্রন্থও রচনা করেন। বীরভূম জেলার শান্তিনিকেতনের পাশে এই নামের রেলওয়ে স্টেশনটা আজ তার একমাত্র নীরব সাক্ষী।

ওপার বাংলা থেকে জানতে পারি, বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলায় এই নামে একটি অপূর্ব সুন্দর হ্রদের অবস্থান। হ্রদের নীল জল আর পাশের পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য সবাইকে নাকি বিভোর করে দেয়।

এত অজানা তথ্য জানার পর মনের কৌতূহল ধীরে ধীরে কমে আসে এবং একটা উল্লাস ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হতে থাকে। বুঝতে পারি, এই নাম শুধু আমাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এই নাম ছড়িয়ে রয়েছে সর্বত্র।

এপার -ওপার বাংলায় তোমায় খুঁজে পেয়েছি। সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে তোমাকে জানতে পেরেছি। পূজো প্যান্ডেলে বহুবার তোমার উষ্ণতা অনুভব করেছি। নাটকের শ্রুতিতে , নৃত্যের তালে , কবিতার ছন্দে , গানের সুরে তোমার মুগ্ধ করা রূপ দেখেছি । খাবারের টেবিলে তোমার সুগন্ধ প্রাণভরে উপভোগ করেছি। অবশেষে নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলার গৌরবশালী ঐতিহ্যকে পৌঁছে দিতে আমরা সবাই তোমার ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছি। তুমি আমাদের সবার পরিচিত , সবার প্রিয় নাম – “প্রান্তিক “।

Posted by: | Posted on: June 14, 2018

আমার মাতৃভাষা

কিছুদিন আগে কর্মসুত্রে আমাকে বিদেশে যেতে হয় । “দাদা, আপনি কি বাঙালী ?” সুদূর বিদেশে ছোট্ট শহর লাভাল, ফ্রান্সে এই আওয়াজ শুনতে পাব বলে কোনোদিন ভাবিনি। পেছন থেকে আসা এই আওয়াজ শুনে তাই একটু থমকে দাড়ালাম । কি জানি, এই চারটে শব্দ নিয়ে আসে মনে এক অদ্ভুত অনুভূতি । এক উৎসাহ, এক উদ্দীপনা, যা লিখে বর্ণনা করা শুধু কঠিন নয়, বলতে পারি অসম্ভব। কিন্তু, হবেই বা না কেন? আমি বিশ্বের সপ্তম সবচেয়ে কথিত মূল ভাষায় যে কথা বলি। আমি গর্বিত যে আমার মাতৃভাষায় দু দুটো রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় গান। কখনো কখনো রবীন্দ্রনাথ আর অমর্ত্য সেনের নোবেল পুরস্কার কে আমি আমার নিজের স্বীকৃতি বলে মনে করি। আবার কল্পনায় নেতাজী, ক্ষুদিরাম, বিনয়, বাদল আর দীনেশের সাথে স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে নিজেকেও জড়িয়ে ফেলি।

গৌরবশালী অতীত কে স্মরণ করে খুশীর জোয়ারে কখন যে নিজেকে ভাসিয়ে দিয়েছি বুঝতেই পারিনি। সৌজন্যমূলক প্রতিক্রিয়া বেক্ত করতেও ভুলে গেলাম। কিন্তু এ কী? – ঘুরে দেখি কেউ নেই। কাউকে না দেখে মনের মধ্যে একটা উদাসীনতা ছেয়ে যায় । আমাকে কি কেউ তাহলে ডাকেনি? আওয়াজটা কি তাহলে নিছক আমার মনের ভ্রম না মাতৃ ভাষা হারিয়ে ফেলার ভয়? একবিংশ শতাব্দীর বিশ্বায়নে আমি কি আজ “ফার্স্ট ল্যাঙ্গুয়েজ এট্রিশন” এর শিকার ? হটাৎ শৈশবে শোনা পূর্ব পাকিস্তান এবং আসামের বরাক উপত্যাকার ভাষা শহীদের স্মৃতি মনকে স্পর্শ করে যায় । কিন্তু আমার আবার কিসের ভয় ? সারা বিশ্ব আমার ভাষার সম্মান স্বরূপে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে থাকে। বিশ্বব্যাপী শান্তি ও বহুভাষিকতাবাদকে উন্নীত করা এবং সকল মাতৃভাষাকে রক্ষা করার দায়িত্ব আমার। আমি যে সুকান্তের ‘রানার’, নতুন প্রজন্মের কাছে গৌরবশীল অতীত কে পৌঁছানোর দায়িত্ব তো আমার |

আমার মন যখন তীব্র অস্থিরতায় চঞ্চল, তখনি ব্যস্ত লাভাল শহরের কোলাহল ভেদ করে দূর পাহাড় থেকে ভেসে আসে এক বহু প্রচলিত সুর “আমি বাংলায় গান গাই, আমি বাংলার গান গাই, আমি, আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই । আমি বাংলায় ভালবাসি, আমি বাংলাকে ভালবাসি, আমি বাংলার হাত ধরে সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে আসি”. সেই সুরকে বুকে জড়িয়ে ধরে নীরবে নিঃশব্দে আমি আবার এগিয়ে চলি ।

আমি ব্যক্তিগতভাবে প্রান্তিকের সকল সদস্যবৃন্দ বিশেষ ভাবে ছোট্ট ছোট্ট বাচ্চাদের কে অনেক অনেক অভিনন্দন জানাই এক মহৎ প্রচেষ্টা “এসো বাংলা শিখি ” কে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য ।

Posted by: | Posted on: November 2, 2017

Technocrat of Love !!

A little exhausted and tired, returned home late in nabami night without thinking much of the next day arrangement. Next morning reached pandal around 11.30 AM.

On reaching the puja bedi, I was absolutely stunned to see the magnificent arrangement. The stand and tables that were used to put up the big LED screens outside our puja pandal has been placed near Durga idol so that women devotees can touch Maa Durga’s face and carry out the “Thakur boron” rituals standing on a stage.  The iron stair case that was placed in the green room at cultural arena has also been brought to facilitate climbing to the stage. Moreover, bamboo railings were added alongwith the stairs to make it safe and trouble free climbing.

Curious to find out and acknowledge the engineering skills and its superb execution of the person who has made such wonderful arrangements, I hear a soft voice from behind  “Sanjiban, Ki dekcho? Arrangement ta bhalo hoyni ?”. Before I could turn and reply,  the voice continued  “Sobai Maa ke ekbar sesh barer jonyo chuthe chay. Abar ek bochor por amra Maa ke sporsho korte parbo. Tai sokal bela eshe eei ekta ‘chotto kaj’ Korlam”.

I looked at her but fumbled to find words to acknowledge her such big hearted effort. Her love and dedication towards Prantic made me speechless. Looking at her caring eyes I could only whisper in her ears  “Love you SUTAPA BOUDI, Prantic Loves You !!!”.

Posted by: | Posted on: November 1, 2017

Maa Durga Arrival – The untold story ……

It was Saturday, Tritiya, intermittent rain spoiling the festive spirit of Puja. Sun and cloud busy in playing hide and seek without paying any attention to the devotees. Everyone in Prantic tensed as our effort to bring Ma Durga to puja pandal the previous day failed because of heavy downpour. Discussion and deliberation with the team did not yield any result as no one could judge the mood of VarunDev.

Around 11 AM, I received a call from Tapanda. In a very straightforward voice he asks me “Sanjiban, tumi ki chao ? Maa ke kokhon anbo ?”. With murmuring voice I replied “Tapanda, kichui je bujhte parchi na….”. He stopped me and said with a firm voice “Ma ke niye aaschi. Tumi bristir jonyo chinta koro na. Sob byabostha hoye jabe. Tumi sobaike janiye dao”. I kept wandering about the idol as the rain can play havoc at any moment. Around 9 PM, I reached pandal eagerly waiting to welcome Maa Durga. An unknown anxiety (Ombrophobia  !!!) has already gripped me.

As the truck carrying the idol entered the pandal, to my disbelief, I found all idols entirely covered with rainproof materials. They are totally wrapped with rainproof polythene from head to toe. It looked that Maa Durga was wearing an additional set of clothes over her gorgeous dress. Not a single drop of rain could have touched her even incase of heavy downpour. After placing all the idols, Tapanda came to me. Put an arm in my shoulder and said “Ki, Maa ke thik thak niye ashlam toh?. Bristi amader kichu korte parto na. Amader sobar upore je Mayer ashirbad aache”. I could only see his glittering eyes behind the high powered specs. Perhaps, it was tears of Joy, tears of pride, tears of Love for all of us.

Thank you Tapanda (Basu). Thank you Saurabh Das Poddar and team!!!